aicte scholarship 2026: এই স্কলারশিপ কি? আবেদনের জন্য প্রয়োজনীয় যোগ্যতা, বৃত্তির পরিমাণ এবং আবেদন পদ্ধতি সম্পর্কে জেনে নিন!

AICTE এর সম্পূর্ণ অর্থ হলো অল ইন্ডিয়া কাউন্সিল ফর টেকনিক্যাল এডুকেশন। এই প্রতিষ্ঠান কর্তৃক কারিগরি শিক্ষা যেমন (ইঞ্জিনিয়ারিং, ডিপ্লোমা) কোর্সের জন্য মেধাবী ও আর্থিকভাবে পিছিয়ে থাকা শিক্ষার্থীদের আর্থিক সহায়তা করা হয় যাতে তারা উচ্চ শিক্ষার মাধ্যমে মেয়েদের জীবন আরও সুন্দর করতে পারে। এই স্কলারশিপটি কয়েকটি বিভাগে বিভক্ত রয়েছে। যেমন প্রগতি (মেয়েদের জন্য), স্বনাথ (অনাথ/কোভিড আক্রান্ত শিক্ষার্থীদের জন্য, GATE/GPAT Qualified শিক্ষার্থীদের জন্য PG স্কলারশিপ দেওয়া হয়ে থাকে। যে সমস্ত পড়ুয়ারা কারিগরি শিক্ষার সঙ্গে সংযুক্ত রয়েছে তারা এই স্কলারশিপের সুবিধা, বৃত্তির পরিমাণ, আবেদন পদ্ধতি ও আবেদনের জন্য প্রয়োজনীয় যোগ্যতা সম্পর্কে জেনে নিয়ে আবেদন করুন।
উদ্দেশ্য: aicte scholarship এর মূল উদ্দেশ্য হলো কারিগরি শিক্ষা অর্থাৎ ইঞ্জিনিয়ার বা ডিপ্লোমা কোর্সের শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার জন্য উৎসাহিত করা এবং উচ্চ শিক্ষার হার বাড়ানো সেই সাথে উচ্চশিক্ষার জন্য আর্থিকভাবে পিছিয়ে থাকা পড়ুয়াদের আর্থিক সহায়তা প্রদান। তবে এর পাশাপাশি স্বনাথ স্কলারশিপ যেটি অনাথ এবং করোনার সময় যারা পিতা-মাতাকে হারিয়েছেন বা সশস্ত্র বাহিনী বা পুলিশের শহীদ সদস্যদের সন্তানদের জন্য দেওয়া হয়ে থাকে। যাতে তাদের পড়াশোনা কোনোভাবে বন্ধ হয়ে যেতে না পারে তার জন্য এই স্কলারশিপের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বৃত্তির পরিমাণ: যেহেতু এই স্কলারশিপের অনেকগুলো বিভাগ রয়েছে তাই বিভাগ অনুযায়ী বৃত্তির পরিমাণ ভিন্ন রয়েছে।
প্রগতি স্কলারশিপ: এটি শুধুমাত্র দাওয়া হয়ে থাকে ডিপ্লোমা ডিগ্রীর প্রথম বর্ষের এন্ট্রি এবং দ্বিতীয় বর্ষের পড়ুয়া মেয়েদের জন্য।
প্রত্যেক বছর ৫০০০০ টাকা পর্যন্ত আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়ে থাকে।
স্বনাথ স্কলারশিপে বৃত্তির পরিমাণ 50 হাজার টাকা দেওয়া হয়ে থাকে।
PG স্কলারশিপ (GATE/GPAT): AICTE অনুমোদিত ফার্স্ট ইয়ার এম.ই./এম.টেক./এম.ফার্ম/এম.আর্ক কোর্সে ভর্তি হওয়া GATE/CEED/GPAT যোগ্য ছাত্রদের প্রতি মাসে ১২,৪০০ টাকা বৃত্তি দেওয়া হয়ে থাকে।
এছাড়াও জম্মু-কাশ্মীর এবং লাদাখের শিক্ষার্থীদের জন্য প্রধানমন্ত্রী উচ্চ বৃত্তি দেওয়া হয়ে থাকে এই প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে। পরিমাণ থাকে 12 হাজার টাকা থেকে ২০ হাজার টাকার মধ্যে।
আবেদনের জন্য প্রয়োজনীয় যোগ্যতা:
১) আবেদনকারীকে অবশ্যই এমন হতে হবে যেখানে COVID -19 সময় বাবা বা মাকে বা উভয়কেই হারিয়েছেন। কিংবা সশস্ত্র বাহিনী বা পুলিশ শহীদের সন্তান হতে হবে এছাড়া যদি কোন শিক্ষার্থীর বাবা-মা কোন বিরল রোগে আক্রান্ত হয়ে থাকে তাহলে এই স্কলারশিপের জন্য আবেদন করতে পারবে।
২) পারিবারিক বার্ষিক আয় আট লক্ষের বেশি হতে পারবেনা।
৩) আবেদনকারীকে অবশ্যই AICTE অনুমোদিত প্রতিষ্ঠানে ডিপ্লোমা বা ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্সে প্রথম থেকে চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী হতে হবে।
আবেদন প্রক্রিয়া: যে সমস্ত প্রার্থীর উপরে উল্লেখিত যোগ্যতাগুলো রয়েছে তারা পজাতীয় স্কলারশিপ পোর্টাল (NSP)-এর মাধ্যমে আবেদন করতে পারেন। জন্য আগে যদি প্রথম হয়ে থাকেন তাহলে নতুন করে রেজিস্ট্রেশন করে আবেদন করতে হবে এবং তারপর লগইন করে আবেদনপত্র পূরণ করে ডকুমেন্ট স্ক্যান করে আপলোড করতে হবে।
নির্বাচন প্রক্রিয়া: আপনি যোগ্য হয়ে আবেদন করলেই এই aicte scholarship সুবিধা পাবেন এমনটা নয়। AICTE অনুমোদিত প্রতিষ্ঠান উচ্চ মাধ্যমিকের রেজাল্ট বিশ্লেষণ করে নির্বাচন করে থাকে। সেখানে যদি দুই প্রার্থীর উচ্চমাধ্যমিকের নাম্বার একই থাকে তাহলে মাধ্যমিকের নম্বর যার বেশি রয়েছে সেই সুযোগ পাবে এই স্কলারশিপের জন্য।
আপনি যদি উপরের যোগ্যতা গুলো পূরণ করতে পারেন তাহলে আর দেরি না করে AICTE স্কলারশিপে আবেদন করুন এবং এই স্কলারশিপের সুযোগ ও সুবিধা উপভোগ করুন।

